লাভ ইন ওমান পর্ব -১৩

ভেজা চুলগুলো মুছতে মুছতে ও রুমে এল। আমি বললাম,” এই মেয়ে দেখনি যে হেয়ার ড্রায়ার আছে। চুল শুকিয়ে আস নইলে এয়ার কন্ডিশনের ভেতরে ঠাণ্ডা লেগে যাবে। কাল মাথা ব্যাথায় মাথা আর তুলতে পারবে না।“ বুঝলাম ও খেয়ালই করেনি যে বেসিনের সাথেই ঝুলছে হেয়ার ড্রায়ারটা। তাছাড়া বাংলাদেশে তেমন কেউ ব্যা্বহার করে না । টেনে নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়া করিয়ে ওর হাত থেকে চিরুনি নিয়ে অন করে দিলাম। আর ওর পেছনের লম্বা চুলগুলো গরম বাতাস দিয়ে শুকোতে লাগলাম। ও আয়নার ভেতর দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল সেটা আমি বুঝতে পারিনি ।

Man combing

পেছনের চুল শুকিয়ে যখন আমি ওর মাথার সামনের দিকের চুল শুকাব ঠিক তখনি দেখলাম যে ওর চোখ ভরা জল । আমি বললাম,” কি হোয়েছে ? আমি কি কিছু অন্যায় করেছি ?” ও মাথা নেড়ে না করলো কিন্তু কিছু বললও না। আমি ওর সামনের চুলগুলো ড্রাই করে দিলাম। এর পর চিরুনি দিয়ে মাথা পরিপাটি করে আঁচরে পাশেই পড়ে থাকা একটা ব্যান্ড দিয়ে চুলগুলো বেঁধে দিলাম। আমি ওকে বললাম,” চল, নীচে গিয়ে খেয়ে আসি।“ ও কিছু বলল না শুধু মন্ত্রমুগ্ধের মতো যা বললাম তাই করল। কেন যেন মনে হোল ওর চুল বাঁধতে আমার খুব ভালো লাগছিল

Omani brerad-Rukhal

নীচে রেঁস্তুোরাতে ডিনারের জন্যে গেলাম। কেমন যেন চুপ হোয়ে গেল ও। এবার দু’জনের জন্যে ই নিলাম মিশকাক যেটা কিনা অনেকটা শিক কাবাবের মতোই সাথে ওমানি ব্রেড যার নাম রুখাল। পাতলা, গোল ব্রেড যা তাল পাতা দিয়ে বানানো আগুনের উপরে ধরে ফোলানো হয়। ওমানিরা সকালে মধু দিয়ে খায় আবার ডিনারে মাংশের কারীর সাথেও খায়। আর শেষে নিয়ে এল আইস্ক্রিম। আমি ওর দিকে তাকিয়ে ছিলাম। আইস্ক্রিম দেখেই ওর মুখটা খুশিতে উজ্জ্বল হোয়ে উঠলো । মনে হোল যেন এক রাশ মেঘ সরে গেল।

Malai-kabab-1-7

ভালোবাসা আসলে কি ? যুগ যুগ ধরে বা বলা যায় মানব জাতির প্রথম থেকেই ভালোবাসা একটা বিরাট রহস্য । ভালোবাসাটা এমন একটা জিনিস যা আমাদের একসাথে ধরে রাখে।
প্রতিটা মানুষের হৃদয় থেকে একটা আলোর সৃষ্টি হয় যা কিনা সোজা স্বর্গে চলে যায়। যখন দু’টো আত্মা একসাথে মিশবেই, যে দু’টো আত্মা শুধু বিশেষ ভাবে তৈরি হোয়ে ছিলো একসাথে মিলে যাওয়ার জন্যেই , যখন তারা একে অন্যকে খুঁজে পায়, তাদের সেই দু’টো আলো একসাথে মিশে গিয়ে সৃষ্টি করে এক অসাধারণ আলোর একটা আধার। যেখান থেকে দুয়ে মিলে এক হোয়ে যাওয়া একটাই আলোকরশ্মি হোয়ে জ্বলতে থাকে একে অপরের মাঝে বিলীন হোয়ে চিরকাল।“

Love

আমাদের নিয়তই ছিল একসাথে দেখা হবার। কে জানে কখন, কবে সেই দু’টো আলোকরশ্মির জন্ম হোয়ে ছিল। কে জানে কতোলক্ষ কোটি বছর পার হোয়ে গেছে আমাদ্বের দু’ জনের মিলতে। কে জানে যে আমাদের মিলানোর জন্যে আকাস, বাতাস, গ্রহ, নক্ষত্র, চাঁদ, সুরজ, এই প্রকৃতি কতোভাবে চেষ্টা করেছে ? কে জানে যে বিধাতা কবে, কখন আমাদের শেষ পর্যন্ত যে দেখা হবে আর আমরা একটা দারুণ ভালোবাসার গল্প তৈরি করবো যে গল্প কিনা ইচ্ছে থাকলেও অন্য কোন মানুষের পক্ষে লিখা সম্ভব হবে না। বিধাতার স্বর্গে বসে করা প্ল্যানমাফিক শেষ পর্যন্ত আমাদের দেখা হোলই বিদেশে, বিভুঁয়ে, দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে এসে যেখানে আমরা শুধুই একে অপরের।

ডিনার শেষ করে আসতে প্রায় ১০.৩০ বেজে যায়। লিফটের দিক এগুচ্ছিলাম। আমি কিভাবে যেন একটু আগে আগে হাঁটছিলাম ।ও আসছিলো পিছে পিছে। দৌড়ে এসে ও আমার হাত ধরে ফেলে। আমার সারা শরীর ঠাণ্ডা হোয়ে যায়। আমি জমে যাই। আমি ওকে আমার হাত ধরতে দেই। আমি খুব সাবধানে এক মিলিমিটারও নড়লাম না যদিই বা ও হাতটা সরিয়ে নেয় ।
রুমে আসা মাত্রই দেখলাম যে বিছানাটা আবারো সুন্দর করে বানিয়ে দিয়ে গেছে। সাথে রেখে গেছে চকোলেট। খুশিতে ওর মুখটা আবার ভরে গেল ভালো লাগায়। ও বাথরুম থেকে বের হোয়ে এসে আমাকে চেঞ্জ করে আসতে বলল। আমি ফিরে এসে দেখি যে ও বেশ সুন্দর একটা পাজামা সেট পরে আছে। দারুণ লাগছিল ওকে। আমিও আমার পাজামা সেটটা পরে নিয়েছিলাম।

ও বিছানার উপরে বসে টিভি দেখছিল । হাত দিয়ে ইশারা করে বিছানায় উঠৈ আশ্তে বলল । আমি বাধ্য ছেলের মতো বিছানায় উঠে বসলাম। আমি বেশ টায়ার্ড ফিল করছিলাম। সারাদিনে তো কম ধকল যায়নি। দিন শুরু হোয়ে ছিল সেই ভোর বেলায় করাচীতে। আমি বিছানার একটা সাইডে বসে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম সেটা বলতে পারবনা। কতক্ষন ঘুমিয়ে ছিলাম তা বলতে পারবনা কিন্তু যখন ও আমাকে জাগানোর জন্যে আমাকে একটু ধাক্কা দিল তখন আমি জেগে গেলাম। আমি সাথে সাথে অ্যাপোলজি করলাম ঘুমিয়ে পরার জন্যে । ও শুধু একটা মিষ্টি হাসি দিল আমার দিকে চেয়ে।

আমি সারাদিনে ব্যাপারটা খেয়াল করিনি কিন্তু যখন ঘুম ভেঙে গেল আর ঘুমানোর সময় হোল তখন আমার খেয়াল হোল যে এই রুমে করাচীর হোটেলের মতো কোন সোফা নেই। আমি ওকে বললাম যে ও খেয়াল করেছে কিনা। ও মাথা নাড়িয়ে বলল, ” আরে তাইতো, আমিতো খেয়ালই করিনি।“ আমি বললাম,” ডোন্ট ওয়রি, আমি ফ্লোরে শুই আর তুমি বিছানায় শোও। আমার ফ্লোরে শুয়ে অভ্যাস আছে। আমার মনে আছে যখন বাসায় কোন গেস্ট আসতো তখন তো ফ্লোরেই শুতাম।“

ও জেদ করে বলল,” নো ওয়ে, আমি নীচে ফ্লোরে শোব আর আপনি বিছানায়। আপনি আমার জন্যে অনেক করেছেন। আর করতে হবেনা।“ আমি হেসে বললাম,” তুমি কি সত্যি সত্যি মনে কর যে আমি তোমাকে ফ্লোরে শুতে দেব আর আমি নিজে আরাম করে ঘুমাব?” ও আমার দিকে তাকিয়ে হেসে ফেলল। কিন্তু কোন উত্তর দিলনা। আমরা বেশ কিছু সময় আরগু করতে থাকি । ফাইনালি ও বলল।“আপনি যদি আমার সাথে এই বিছানায় ঘুমান শুধু মাত্র তাহলেই আমি এই বিছানায় শোব “ আমি বললাম,” কি বললে ?” আমার মনে হোল যেন আমি শুনিনি । “

তখনই বুঝতে পারল যে ও কি বলেছে। এক দৌড়ে বাথরুম এ চলে গেল ; ও এতই লজ্জা পেয়েছিল যে কি বলব। আধা ঘণ্টার বেশি লেগে গেল ওর লজ্জা ভাঙ্গাতে। ও জোরে জোরে বলতে লাগলো,” আমি আর আপনাকে মুখ দেখাতে পারবনা।“ আমি হাসতে হাসতে বললাম,” তাহলে কি বাকি পুরোটা সময় বাথরুমেই কাটাবে ? দরোজা খোল। “ আমি ওকে বললাম,” আমি একজন পারফেক্ট ভদ্রলোক। আমাকে দিয়ে তোমার কোন ক্ষতি হবেনা। ঠিক আছে তুমি এক সাইডে আর আমি আরেক সাইডে শোব। মাঝে বালিসের পার্টিশন“ শেষ পর্যন্ত ও বাথরুমের দরোজা খুলে ভেতরে এলো ।

দু’হাত দিয়ে মুখ ঢেকে আর আঙ্গুলের ভেতর দিয়ে একটু করে দেখতে দেখতে এসে বিছানার উপরে উঠে বসল। আমি অর লজ্জাবনত মুখটা দেখার জন্য দুই হাত দিয়ে ওর মুখের উপর থেকে হাতটা সরানোর চেষ্টা করছিলাম। ও ওর সবটুকু শক্তি দিয়ে প্রাণপণে চেষ্টা করছিল যাতে হাত সরাতে না পারি।

আমার সাথে কি আর ওইটুকু পুচকে মেয়ে শক্তিতে পারবে? আমি দুই হাত দিয়ে ওর দুই হাত সরিয়ে ফেললাম। দেখলাম ও লজ্জায় একেবারে যাকে বলে মরমে মরে যাওয়া।”আমি আপনার দিকে কোনদিনই তাকাতে পারবোনা।” আমি হেসে বললাম,” বোকা মেয়ে, হোয়েছে, এতো লজ্জা পেতে হবেনা। আমি না তোমার বন্ধু আর বন্ধুর সামনে লজ্জা কি ?”

Capture

ও আস্তে আস্তে মুখের উপর থেকে হাত সরাল। বললো, “ঠিক তো? বন্ধু বলেছেন, মনে রাখবেন বন্ধু বানানোর চেয়ে বন্ধু হোয়ে থাকা অনেক কঠিন। একদিন কিন্তু প্রমান করতে হবে যে কত ভালো বন্ধু আপনি।” আমি মৃদু হেসে বললাম,”আচ্ছা বাবা, সময় এলেই দেখা যাবে। ওসব বাদ দাও।

আমি বললাম,” আমি ঘুমের সময় তেমন কোন মুভ করিনা । লেপের ভেতরে আমি একেবারে সোজা হোয়েই ঘুমাই সেজন্যে আমার পার্টিশনের দরকার নেই। বরং তোমার দিকে আরো বড় করে পার্টিশন দাও যাতে তুমি আমার দিকে চলে না আসো।“ “আপনি না খুব লজ্জা দিতে পারেন। আর বলতে হবেনা। আমি বুঝতে পেরেছি। আমি আপনাকে ১০০% ট্রাস্ট করি।“ আমি ওকে আরও লজ্জা দেবার জন্যে বললাম,” আমাকেতো ট্রাস্ট কর বললে, নিজেকে কি ট্রাস্ট করো ?” সাথে সাথে একটা বালিশ উঠিয়ে আমার দিকে ঢিল দিল, আর বলল,” আপনি ঘুমান, দেখবেন আপনার মুখে আমি টেপ লাগিয়ে দেব।“ আমি বললাম,” টেপ পাবে কই ?” তখন বললাম,” আরে বোকা মেয়ে, আমি তো শুধু তোমাকে লজ্জা দিতে চেষ্টা করছি আর তুমি লজ্জা পেয়েই যাচ্ছ। যাকে ইংরেজিতে বলে পুলিং ইয়োর লেগস ।ওকে বাবা, চল ঘুমিয়ে পরি।“

আমি এয়ার কন্ডিশনটা একটু কমিয়ে দিলাম কারণ সারা রাত চললে সকালে খুব ঠাণ্ডা লাগবে। ও আগেই ওর সাইডের লাইটটা অফ করেছিল । আমি ডিম লাইটটা অন করে আমার সাইডের বেড লাইটটা অফ করে দিলাম । ডিম লাইটের নীল হাল্কা আলোতে রুমের ভেতরে দারুণ একটা রোম্যান্টিক পরিবেশের সৃষ্টি করলো। আমার খুব ভালো লাগছিল আর আমি জানি যে ওরও খুব ভালো লাগছিল। রুমের ভেতরটা বেশ ঠাণ্ডা । একটা বড় ডাউনের কমফোর্টার ছিল বিছানায়।

অর্ধেকটা ওর গায়ে আর বাকি অর্ধেকটা আমার গায়ে। আমি ওর নাম ধরে ডাকলাম। “উম…” “তুমি কি কখন আমাকে ভুলে যাবে ?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম। কোন উত্তর না দিয়ে উলটো আমাকেই জিজ্ঞাসা করল,” আপনি কি আমাকে ভুলে যাবেন ?’’ আমি বললাম,” তুমি ভালো করেই জান যে উত্তরটা আমার কি হবে ?” ও বলল,” তা’হলে আপনি কি আমাকে দেখে এটা বোঝেন না যে আমিও আপনাকে কোনদিন ভুলতে পারবনা ?’’ আমি একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললাম,” আসলে মানুষ কেউ কাউকে ভুলে যায়না। ভুলে থাকার অভিনয় করে মাত্র।“ কিছুক্ষণ একটা পিন পতন নিরবতার পর আমি বল্লাম,”ঘুমিয়ে পড়ো। গুড নাইট…।“ ও কোন কিছু না বলে চুপ করে রইল।

আমার মনের ভেতরে ঝর চলছিল। কতোশত কথা মনে আসছে। আমার স্ত্রী আর সংসারের প্রতি আমার কর্তব্য আছে। আমার স্ত্রীকে আমি খুবই ভালোবাসি । তাহলে কেন আমি গত দেড় দিন ধরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো নিয়ে এত চিন্তা করছি? কেনইবা আমার মনে হোচ্ছে যে আমি ওকে ভালোবেসে ফেলছি। ওর প্রতি ভালোবাসা কতোটুকু সেটা আমি জানিনা কিন্তু কেন ওর কথা চিন্তা করতে ভালো লাগছে ? কি হোল আমার ? এত কাছে আমার। ইচ্ছে করলেই হাত দিয়ে ছুঁয়ে ফেলতে পারি। কিন্তু তবু কতোদূরে। ও কি বুঝতে পেরেছে যে আমি ক্রমশ ওর দিকে দৌড়ে যাচ্ছি ? মেয়েরা ঠিকই বুঝে যায় এসব । কখন যে ঘুমিয়ে পরেছিলাম মনে নেই।

dream1

আমি স্বপ্ন দেখছিলাম । দেখছিলাম যে কোন এক সমুদ্র সৈকতে ভোর বেলা একা হাঁটছি । কুয়াশা চারিদিকে কিছু দেখা যাচ্ছেনা । কুয়াশার ভেতর দিয়ে একাকী হেঁটে যাচ্ছি। আমি যেন কি খুঁজছিলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম না । আস্তে আস্তে কুয়াশা কেটে গেলো । দেখলাম যে কেঊ একজন আসছে আমার দিকে কিন্তু মাঝ পথে থেমে গেলো । আমি দেখলাম একটা মেয়ে হাঁটুর ভেতরে মাথা গূঁজে বসে পড়ল । আমি দৌড়ে যাচ্ছি ঐ মেয়েটার দিকে । আমার পায়ের শব্দে ও ওর মুখটা তুলে দেখল।

Sad_Girl

আমি দেখলাম ঘুম ঘুম ফোলা ফোলা দুটো চোখ । মনে হয় কতোদিন সে ঘুমায়নি। ওর চোখ ভরা অশ্রু টলমল করছে। ও কাঁদছিল। আমি নিচু হোয়ে ওর পাশে বসে পরলাম। ও ঘুরে আমাকে দেখল। আমাকে দেখেই আমার হাত দুটো ধরে ঝাঁকাতে লাগলো আর পাগলের মতো চিৎকার করে বলতে লাগলো,” আমাকে এক ফেলে তুমি কই হারিয়ে গিয়েছিলে ? কেন গিয়েছিলে ? কেন ? কেন? জবাব দাও।“ আমি জানতাম না যে আমি কি উত্তর দেব।

ও আমাকে আস্তে আস্তে ছুঁয়ে দিতে আরম্ভ করল। গোলাপের পাপড়ির মতো গোলাপি নরম ঠোঁট আমার ঠোঁটের কাছে আনল। আমি ওর নরম হাতের ছোঁয়া অনুভব করতে পারছিলাম। ওর গরম নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস আমার মুখের ওপরে অনুভব করতে পারছিলাম। এই অনুভূতিটা শেষ হোয়ে যাক আমি চাচ্ছিলাম না। আমি চাচ্ছিলাম যে ও আমাকে জড়িয়ে ধরুক, ওর পালকের মতো নরম হাত দিয়ে আমাকে ছুঁয়ে যাক। হটাৎ করেই আমার ঘুম ভেঙে গেল। আমার গালের পাশে আমি কেমন যেন একটু উষ্ণতা অনুভব করলাম। আমার মনে হোচ্ছিল যে কেউ আছে আমারই পাশে কিন্তু আমি চোখ খুলতে চাচ্ছিনা । যদিই বা স্বপ্ন চোখ খোলার সাথে সাথে হারিয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *